সিলেট বিভাগে স্বাগতম
সিলেট
সিলেট জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল সিলেট । এটি সিলেট বিভাগের অধিক্ষেত্রভুক্তি একটি জেলা । সিলেট বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি প্রাচীন জনপদ । বনজ, খনিজ ও মৎস্য সম্পদে ভরপুর এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত এ জেলা দেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী ও বিশ্বের দ্বিতীয় লন্ডন হিসেবে খ্যাত। জৈন্তিয়া পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্য, জাফলং এর মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য, ভোলাগঞ্জের সারি সারি পাথরের স্তূপ, পাথরের বিছানাখ্যাত বিছনাকান্দি, রাতারগুল জলাবন পর্যটকদের টেনে আনে বার বার। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর সিলেট জেলার বিপুল সংখ্যক লোক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অভিবাসন গ্রহণ করেছে। তারা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখে। সিলেটের পাথর, বালির গুণগতমান দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। জেলার প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে যা সারা দেশের সিংহভাগ চাহিদা পূরণ করে থাকে। স্বাধীনতা যুদ্ধে এ জেলার ভূমিকা অপরিসীম। মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি জেনারেল এম,এ,জি ওসমানী এ জেলারই কৃতী সন্তান। সিলেট জেলার পর্যটন অঞ্চল/দর্শনীয় স্থান সমূহঃ মালনীছড়া চা বাগান, শ্রী চৈতন্য দেব, জাফলং, লালাখাল, হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজার, হজরত শাহপারান (রঃ) মাজার, তামাবিল, ভোলাগঞ্জ, লোভাছড়া চা-বাগান, লোভাছড়া পাথর কোয়ারী, ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা, রায়ের গাঁও হাওর, বিছনাকন্দি, পান্থুমাই জলপ্রপাত, লক্ষনছড়া, রাতারগুল ইত্যাদি ।
প্যাকেজ সমূহশ্রীমঙ্গল
চা এবং বৃষ্টিপাতের জন্য বিখ্যাত শ্রীমঙ্গল উপজেলার অবস্থান সিলেটের মৌলভীবাজার জেলায়। পাতা আর কুঁড়ির এই দেশ পাহাড় আর চা বাগানে ঘেরা আর সব সময়ই ভ্রমণপিপাসুদের জন্য এক আদর্শ স্থান। সবুজে মোড়ানো শ্রীমঙ্গলে রয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ চা বাগান। রয়েছে আনারস ও রাবার বাগান। চায়ের রাজধানী এই শ্রীমঙ্গলের অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর পশুপাখির বিচরণ নিমিষেই মুগ্ধ করে দেয় চোখ আর মনকে। শ্রীমঙ্গলের উত্তর-পশ্চিম পাশে কিছু অংশ হাইল হাওর ছাড়া পুরোটা উপজেলাই চা বাগান দ্বারা আবৃত। আপনি যখন মাইলের পর মাইল চা বাগানের ভেতর দিয়ে যাবেন, তখন আপনার মনে হবে বিশ্বের সকল সৌন্দর্যরাশি যেন আপনার সম্মুখে। এখান থেকে পর্যটকরা বিভিন্ন পাহাড়-টিলাঘেরা সবুজ চা বাগান, খাসিয়া পল্লী, এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকি হাওর, দেশের সর্ববৃহৎ জলপ্রপাত মাধবকুণ্ড, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, ছায়া নিবিড় পরিবেশে অবস্থিত নয়নাভিরাম মাধবপুর লেক, ৭১’এর বধ্যভূমি, হরিণছড়া গলফ মাঠ, চা কণ্যা ভাষ্কর্য, বাইক্কা বিল, দৃষ্টিনন্দন জান্নাতুল ফেরদৌস মসজিদ, নিমাই শিববাড়ী মন্দির, হামহাম জলপ্রপাত, মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জি, শিল্পকলা সমৃদ্ধ মণিপুরীসহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, শিতেস বাবুর চিরিয়াখানা, নীলকণ্ঠের সাত রংয়ের চা, চা গবেষণা কেন্দ্র, চা যাদুঘর, বর্ষীজোড়া ইকোপার্কসহ চা বাগানের অপার সৌন্দর্য উপভোগ এবং স্থানীয় উপজাতিদের জীবনধারা ও সংস্কৃতি প্রত্যক্ষ করবেন।
প্যাকেজ সমূহসুনামগঞ্জ
একসময়ের প্রাচীন প্রাগজ্যোতিষ রাজ্যের অন্তর্গত সুনামগঞ্জ
বর্তমানে সিলেট বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। সুনামগঞ্জ সদর, ছাতক, বিশ্বম্ভরপুর, দিরাই, ধর্মপাশা,
দোয়ারাবাজার, জগন্নাথপুর, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, শাল্লা, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা এই জেলার প্রশাসনিক
এলাকা। ১৯৮৪ সালে সুনামগঞ্জ জেলায় রূপান্তরিত হয়। বহু প্রাচীনকাল থেকেই ভিন্ন ভাষাভাষীর ব্যক্তি, বর্ণ ও
ধর্ম নিয়ে গড়ে উঠেছে এই সুনামগঞ্জ। আমদের দেশের মরমী কবি ও বাউল সাধক হাছন রাজার জন্মভূমি এই সুনামগঞ্জ।
সুনামগঞ্জের নামকরণ নিয়ে খুব একটা যে মতভেদ আছে তা কিন্তু নয়। প্রচলিত আছে, ‘সুনামদি’ নামের একজন মোগল
সিপাহীর নাম অনুসারে এই সুনামগঞ্জের নামকরণ করা হয়েছিল। সুনাম উদ্দিন নামক সেই মোগল সৈন্যের কোনো এক
যুদ্ধে বীরের ভূমিকা পালনের জন্য সম্রাট তাকে এই অঞ্চলে কিছু ভূমি পুরস্কার হিসেবে উপহার দেন। সুনাম
উদ্দিনকে আঞ্চলিক ভাষায় “সুনামদি” বলা হয়ে থাকে। পরে এখানে তারই নামে সুনামগঞ্জ বাজারটি স্থাপন করা
হয়েছিল। ধারণা করা হয়, এভাবেই সুনামগঞ্জ নামের ও স্থানের সূচনা হয়েছিল। সুনামগঞ্জে বিভিন্ন ধরণের
প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এখানে কয়লা, চুনাপাথর ও নুড়ি পাথরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। তাছাড়া এখানে
উন্নতমানের বালিও পাওয়া যায়। এ জেলার সবচেয়ে বড় সম্পদ হল এখানকার মৎস্য সম্পদ। আমাদের দেশের মৎস্য সম্পদের
বড় একটি অংশের যোগান আসে এই সুনামগঞ্জের হাওরগুলো থেকে।
সুনাগমঞ্জে ঘুরে দেখার মত আছে – টাংগুয়ার হাওর, নারায়ণতলা, গৌরারং জমিদার বাড়ী, জগন্নাথ জিউর আখড়া,
লাউড়ের গড়,পাগলা মসজিদ,ডলুরা শহীদদের সমাধি সৌধ ও হাসন রাজার জমিদার বাড়ী, পাইলগাও জমিদার বাড়ি, রাধা রমন
দত্ত এর সমাধি,সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘর, ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরী, যাদুকাটা নদী, সুরমা নদী, বারেকের টিলা
হবিগঞ্জ
চিরসবুজ চায়ের বাগান আর দিগন্তজোড়া হাওড়রের দেশ হবিগঞ্জে আপনাকে জানাই স্বাগতম। এ জেলার নামকরণের ব্যাপারে বলা যায়, সৈয়দ হেদায়েত উল্লাহর পুত্র সৈয়দ হবিব উল্লাহ খোয়াই নদীর তীরে একটি গঞ্জ বা বাজার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরবর্তীতে তারই নামানুসারে হবিবগঞ্জ নামের উৎপত্তি হয়। আর কালের পরিক্রমায় তা হবিগঞ্জে পরিণত হয়। ইংরেজ শাসনামলে ১৮৬৭ সালে হবিবগঞ্জকে মহকুমা হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৮৭৮ সালে হবিবগঞ্জ মহকুমা গঠন করা হয়। অতঃপর তা হবিবগঞ্জ থেকে লোখমুখে হবিগঞ্জ হহিসাবে পরিচিতি পেতে থাকে। আসাম প্রাদৈশিক সরকারের ২৭৩ নং নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ১৮৯৩ সালের ৭ এপ্রিল হবিগঞ্জ থানা গঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে সার্কেল অফিসার (উন্নয়ন) এর অফিস স্থাপিত হয় এবং সর্বশেষ ১৯৮৪ সালের পহেলা মার্চ ( ১৭ ই ফাল্গুন ১৩৯০ বাংলা ) জেলায় উন্নীত হয়।
হবিগঞ্জ জেলাকে একটি আলাদা স্থানে দাঁড় করিয়েছে একটি পাতা দুটি কুঁড়ির সবুজে ভরা চা বাগান, জীববৈচিত্রময় বনাঞ্চল আর দিগন্ত জোড়া হাওড়। আর এর সাথে এই জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে এক অন্য মাত্রা যোগ করেছে এখানকার অপরূপা নদী, বিস্তীর্ণ সমতলভূমি এবং রাবার বাগান। বিপুল পরিমাণের প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে এই হবিগঞ্জে। এসব গ্যাস ফিল্ড থেকে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। গ্যাস ছাড়াও এখানে সিলিকা বালি, বিদ্যুৎ আর সাদাবালি পাওয়া যায় প্রচুর।
দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনাঃ বিথঙ্গল আখড়া, গ্রীনল্যান্ড পার্ক, কমলারানীর সাগর দীঘি, মহারত্ন জমিদার বাড়ি, তেলিয়াপাড়া চা বাগান ও সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ, কালেঙ্গা অভয়ারণ্য, শাহজীবাজার রাবার বাগান, উচাইল শাহী মসজিদ (১৪৯৩-১৫১১ খ্রিঃ), সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চল, রেমা কালেঙ্গা সংরক্ষিত বনাঞ্চল, ইত্যাদি ।
প্যাকেজ সমূহAbout Us
বিসমিল্লাহির রাহমানের রাহিম
আসসালামুঅলাইকুম । স্বাগতম BD Adventurer এ, দেশের অন্যতম ইকো
ফ্রেন্ডলি ও বাজেট প্লানার ট্রাভেল গ্রুপ । আমাদের এজেন্সির
মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ব্যবসা নয়, ভ্রমণ পিপাসুদের ভ্রমণ এ সার্বিক সহযোগিতা এবং তাদের ভ্রমণকে আরও নির্ভেজাল
করতে ভ্রমণ
সংক্রান্ত সকল দ্বায়িত্ব নিজের কাধে তুলে ভ্রমণকে আরও আনন্দময় করে তোলা । সেজন্যই আমরা অভিজ্ঞ লোক দিয়ে ভ্রমণ
পিপাসুদের
সহযোগিতা করে থাকি । তাইতো আমাদের এজেন্সির স্লোগান হচ্ছে “ভ্রমণ আপনার, চিন্তা আমাদের”
আমরা সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার ও সরকারী ছুটির দিনে আপনাদের জন্য ইভেন্ট আয়োজন করে থাকি । এছাড়াও মাসের যে
কোনদিন কর্পোরেট
ট্যুর, ১০ জনের অধিক গ্রুপের জন্য গ্রুপ ট্যুর এবং অফিসিয়াল পিকনিকের আয়োজন করে থাকি । আমাদের
সাথে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ ।