চট্টগ্রাম বিভাগ
সবুজ পাহাড়, ঘন বন, শীতল জলবায়ু এবং প্রশস্ত বালুকাময় সমুদ্র সৈকত নিয়ে দক্ষিণ বাংলাদেশে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগ দেশের আটটি প্রশাসনিক বিভাগের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম। এটি এগারো জেলা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং চাঁদপুরে বিভক্ত। পাহাড়, সমুদ্র, নদী ও সমতলবেষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র উপকূলের অনুপম সৌন্দর্যের আধার চট্টগ্রাম বিভাগ । বিভাগের দক্ষিণে দিগন্ত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর। বাংলাদেশের মানচিত্রে পূর্ব-দক্ষিণ অঞ্চলে চট্টগ্রাম বিভাগের অবস্থান । চট্টগ্রাম বিভাগ বনজ সম্পদ, মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ ইত্যাদিতে ভরপুর এবং প্রচুর দর্শনীয় স্থান রয়েছে এখানে। জলবিদ্যুতের একটি বড় সরবরাহকারী হিসাবে চট্টগ্রাম বিভাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল । চট্টগ্রাম শহরটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও শিল্পকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে । চট্টগ্রাম বিভাগের আকর্ষণীয় স্থানগুলি যা প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলে সেগুলির মধ্যে রয়েছে দ্রুত বয়ে যাওয়া কর্ণফুলী নদী, সমুদ্রের তীরে গড়ে ওঠা সুন্দর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এবং মনোরম ফয়েস লেক ও তার সুন্দর দৃশ্যাবলী যা একটি পিকনিক স্পট এবং স্থানীয় ও দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় যায়গা । কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত হিসাবে খ্যাতিযুক্ত, অন্যদিকে বান্দরবান অপ্রকাশিত গ্রামীণ সৌন্দর্য উপস্থাপন করে। ফয়েস লেকের বিনোদন পার্ক, আগ্রাবাদে কর্ণফুলী শিশু পার্ক, চাঁদগাঁওয়ের মিনি বাংলাদেশ সহ চট্টগ্রাম বিভাগে বেশ কয়েকটি অবসর পার্ক রয়েছে । চট্টগ্রাম বিভাগের ধর্মীয় স্থানগুলির মধ্যে বাইজিদ বোস্তামি, বায়তুল ফালাহ এবং চন্দনপুরা মসজিদ রয়েছে ।
সিলেট বিভাগ

সিলেট বিভাগ বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত
একটি
প্রশাসনিক
অঞ্চল,যা সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ — এই চারটি জেলা নিয়ে গঠিত। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ
স্বাধীন হওয়ার পর পূর্ব থেকেই (অর্থাৎ পাকিস্তান আমল থেকেই) সাবেক সিলেট জেলা ছিল চট্টগ্রাম বিভাগের
অন্তর্গত। পরবর্তীকালে সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস কার্যক্রমের সূত্রে ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ১ আগস্ট চারটি
জেলা নিয়ে বাংলাদেশের ষষ্ঠ বিভাগ সিলেট গঠিত হয়। এই বিভাগের মোট আয়তন ১২,৫৯৫.৯৫ বর্গ কিলোমিটার সিলেট বিভাগ
শিল্প শিল্পদ্রব্য (সার, সিমেন্ট, সিলেট পাল্পস এন্ড পেপার মিলস,ছাতক, বিদ্যুৎ), প্রাকৃতিক সম্পদ, খনিজ সম্পদ
(গ্যাস, তেল, পাথর, চুনাপাথর) ইত্যাদিতে ভরপুর। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এ বিভাগের ভূমিকা অপরিসীম।
সিলেট বিভাগের দর্শণীয় স্থানসমূহ
(১) সিলেট জেলাঃ
(ক) হযরত শাহজালাল (রঃ) এবং হযরত শাহপরাণ (রঃ) এর মাজার, সিলেট।
(খ) জাফলং, শ্রীপুর, তামাবিল, ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারী, লাক্কাতুরা চা বাগান, বিছনাকান্দি, খাসিয়াপুঞ্জি,
(গ) জৈন্তার রাজবাড়ী, জৈন্তাপুর, সিলেট।
(ঘ) শ্রী চৈতন্যের জন্মস্থান, গোলাপগঞ্জ, সিলেট।
(ঙ) রাতারগুল, গোয়াইনঘাট, সিলেট, ইত্যাদি ।
(২) সুনামগঞ্জঃ
(ক) টেকেরঘাট, সুনামগঞ্জ।
(খ) টাঙ্গুয়ার হাওর, সুনামগঞ্জ।
(গ) হাছন রাজার বাড়ী, সুনামগঞ্জ।
(ঘ) দেখার হাওর, ইত্যাদি ।
(৩) মৌলভীবাজারঃ
(ক) মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, বড়লেখা, মৌলভীবাজার।
(খ) হামহাম জলপ্রপাত, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।
(গ) বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, শ্রীমঙ্গল টি রিসোর্ট, মৌলভীবাজার।
(ঘ) লাউয়াছড়া রিজার্ভ ফরেস্ট, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ইত্যাদি ।
(৪) হবিগঞ্জঃ
(ক) সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ, ইত্যাদি ।
ময়মনসিংহ বিভাগ

ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি
বাংলাদেশের
উত্তর-মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পূর্ব থেকেই (অর্থাৎ, পাকিস্তান আমল থেকেই) বৃহত্তর
ময়মনসিংহ (সাবেক ময়মনসিংহ জেলা) ও জামালপুর জেলা ছিল ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত; পরবর্তীকালে সরকারের প্রশাসনিক
পুনর্বিন্যাস কার্যক্রমের সূত্রে ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও জামালপুরের চারটি জেলা,
ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে বাংলাদেশের অষ্টম বিভাগ ময়মনসিংহ গঠিত হয়। ১০,৫৮৪ বর্গ
কিলোমিটার আয়তনের এই বিভাগের ভৌগোলিক অবস্থান ২৪০ ১০' উত্তর অক্ষাংশ এবং
৯০০ ২৫' পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে। এর
উত্তরে ভারতের মেঘালয় (খাসিয়া ও জয়ন্তীয়া পাহাড়), দক্ষিণে ঢাকা বিভাগ ও পূর্বে সিলেট বিভাগ এবং পশ্চিমে
রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ।
ময়মনসিংহ বিভাগের দর্শনীয় স্থানসমূহ
(১) ময়মনসিংহ জেলাঃ
(ক) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
(খ) আলেকজান্ডার ক্যাসেল
(গ) জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা
(ঘ) সার্কিট হাউস
(ঙ) রামগোপালপুর জমিদারবাড়ি
(চ) বিপিন পার্ক
(ছ) বোটানিক্যাল গার্ডেন
(জ) ব্রক্ষপুত্র নদ
(ঝ) গৌরীপুর রাজবাড়ি
(ঞ) কেল্লা তাজপুর, ইত্যাদি ।
(২) নেত্রকোণা জেলাঃ
(ক) হয়রত শাহ সুলতান কমর উদ্দিন রুমী (রাঃ) এঁর মাজার শরীফ নেত্রকোণা সদর।
(খ) বিজয়পুর পাহাড়ে চিনামাটির নৈসর্গিক কাজ
(গ) টংক আন্দোলনের স্মৃতি সৌধ
(ঘ) রানীখং মিশন টিলাতে ক্যাথলিক গির্জা
(ঙ) বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি
(চ) কমলা রানীর দীঘি
(ছ) নইদ্যা ঠাকুরের ভিটা
(জ) রাশমনি স্মৃতি সৌধ,দূর্গাপুর
(ঝ) লেংগুরা, চেংটি, গোবিন্দপুরের পাহাড়ের নৈসর্গিক দৃশ্য, কলমাকান্দা
(ঞ) সাত শহীদের মাজার কলমাকান্দা, ইত্যাদি ।
(৩) জামালপুর জেলাঃ
(ক) হয়রত শাহ জামাল (রাঃ) এঁর মাজার শরীফ, জামালপুর সদর
(খ) হয়রত শাহ কামাল (রাঃ) এঁর মাজার শরীফ,মেলান্দহ
(গ) দয়াময়ী মন্দির, জামালপুর শহর।
(ঘ) লাওচাপড়া পিকনিক স্পট, বকশীগঞ্জ
(ঙ) যমুনা ফার্টিলাইজার, তারাকান্দি, সরিষাবাড়ী, ইত্যাদি ।
(৪) শেরপুর জেলাঃ
(ক) গজনী অবকাশ কেন্দ্র
(খ) মধুটিলা ইকো পার্ক
(গ) নয়াবাড়ির টিলা
(ঘ) রাজার পাহাড় থেকে বাবলাকোনা
(ঙ) পানি হাতা তারানি পাহাড়
(চ) অর্কিড পর্যটন কেন্দ্র
(ছ) নাকুগাঁও স্হল বন্দর, ইত্যাদি ।
About Us
বিসমিল্লাহির রাহমানের রাহিম
আসসালামুঅলাইকুম । স্বাগতম BD Adventurer এ, দেশের অন্যতম ইকো
ফ্রেন্ডলি ও বাজেট প্লানার ট্রাভেল গ্রুপ । আমাদের এজেন্সির
মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ব্যবসা নয়, ভ্রমণ পিপাসুদের ভ্রমণ এ সার্বিক সহযোগিতা এবং তাদের ভ্রমণকে আরও নির্ভেজাল
করতে ভ্রমণ
সংক্রান্ত সকল দ্বায়িত্ব নিজের কাধে তুলে ভ্রমণকে আরও আনন্দময় করে তোলা । সেজন্যই আমরা অভিজ্ঞ লোক দিয়ে ভ্রমণ
পিপাসুদের
সহযোগিতা করে থাকি । তাইতো আমাদের এজেন্সির স্লোগান হচ্ছে “ভ্রমণ আপনার, চিন্তা আমাদের”
আমরা সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার ও সরকারী ছুটির দিনে আপনাদের জন্য ইভেন্ট আয়োজন করে থাকি । এছাড়াও মাসের যে
কোনদিন কর্পোরেট
ট্যুর, ১০ জনের অধিক গ্রুপের জন্য গ্রুপ ট্যুর এবং অফিসিয়াল পিকনিকের আয়োজন করে থাকি । আমাদের
সাথে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ ।